১টা মাত্র পেয়ারা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। বলছে গবেষণা.

সকলের কাছেই পেয়ারা (Guava) বেশ পছন্দের ফল। সে কাঁচাই হোক বা পাকা। পছন্দের হলেও প্রতিদিন পেয়ারা (Guava) খাওয়ার রেওয়াজ খুবই কম। কিন্তু আপনি জানেন কি, প্রতিদিন মাত্র ১টি পেয়ারা (Guava) আপনার নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা খুব সহজেই দূর করে দিতে পারে? বলছে বিভিন্ন দেশে হওয়া একাধিক গবেষণা। জেনে নিন তুলনামূলক সস্তার ফল পেয়ারা (Guava) দিনে মাত্র ১টি খেলেই কী কী অসাধারণ সুফল পাওয়া যায়—১) চুল পড়া (hair fall) রোধ করেপেয়ারার(Guava) vitamin সি চুল পড়া রোধে

এইভাবে আপনি আপনার পায়ের মাধ্যমে দেহ থেকে বিষ বার করে দিতে পারবেন

সবাই এখন মাসে একবার শরীরের বিষ (Poison) নির্বিষকরনে উৎসাহিত হয়ে উঠছেন এবং হ্যাঁ এটাই বর্তমানে সর্বাপেক্ষা প্রাথমিক পদ্ধতি যা আপনি খুব সহজেই খুঁজে নিতে পারেন। আপনি কি কখনো ডেটক্স মেথডের কথা শুনেছেন যা আপনার পায়ের (foot) নির্বিষকরনের ক্ষেত্রে সহায়তা করে? এখন থেকে আপনার খাদ্যাভাসকে বিন্দুমাত্র সীমিত না করে আপনি আপনার সারা শরীরকে নির্বিষ (no Poison) করতে পারেন। আজই জেনে নিন খাদ্য দ্রব্য থেকে আমাদের শরীরে জমা হওয়া বিষাক্ত (Poisonic) পদার্থ সমূহ কিভাবে খুব সহজ ও

তৈলাক্ত ত্বকের পিম্পল সারাতে ২টি সিম্পল সমাধান

পিম্পল তৈলাক্ত ত্বকের নারীদের জন্য সবচেয়ে ভয়ংকর একটি স্কিন প্রবলেম। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এমনিতেই একটু বেশি যত্নের প্রয়োজন পরে। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল আমাদের ত্বক এর জন্য জরুরী যা আমাদের ত্বককে স্বাস্থ্যবান রাখে, তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে এবং আমাদের ত্বককে শুষ্ক করার হাত থেকে রক্ষা করে। তৈলাক্ত ত্বক(Oily skin) এর সুবিধা হল, তেল বলিরেখা ও মুখের রঙের কোন পরিবর্তন হওয়া থেকে রক্ষা করে। কিন্তু তৈলাক্ত ত্বকের অসুবিধাও কম না। তৈলাক্ত ত্বকে খুব সহজে ধুলোবালি

খালি পেটে মাত্র ৪ দিন কিশমিশের পানি খান, কেন খাবেন জানলে এখনই খাওয়া শুরু করবেন

কিশমিশের পানি (water) – রক্তস্বল্পতায় কিশমিশ যে উপকারী, সেটা অনেকেই জানেন। কারণ, কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে। কিন্তু, এটা জানা আছে কি, আপনার লিভার বা যকৃত্ পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি (water)লিভার সাফ হয়।গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশের পানি (water)খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে। অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি(water) পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য অসাধারণ ৩টি ঘরোয়া স্কিন লাইটেনিং মাস্ক

আয়নায় যতবার নিজের চেহারা দেখেন ততবার হতাশাবোধ করেন? ভাবেন কেন আপনার ত্বক আর একটু উজ্জ্বল নয়? এমন অনেকেই আছেন যারা মার্কেট থেকে কতশত ব্র্যান্ডের কেমিক্যাল লোডেড স্কিন লাইটেনিং বিউটি প্রোডাক্ট কিনে থাকেন তার ইয়াত্তা নেই। এইসব প্রোডাক্টের দাম যেমন বেশি তেমন আমাদের ত্বকে এগুলোর খারাপ প্রভাবও কম নয়। যারা চান তাদের ত্বক(Skin) স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিকভাবে একটু লাইটেন বা উজ্জ্বল করে তুলবেন আজকের আর্টিকেলটি তাদের জন্য। এখানে আজ আপনাদের অসাধারণ ৩ টি স্কিন লাইটেনিং মাস্কের সাথে

ঘামের দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পাওয়ার উপায়

এই তীব্র গরমে সবার ঘাম (Sweat) হওয়াটাই স্বাভাবিক। মানুষের ভিড় পলিউশন, আবহাওয়ার আর্দ্রতা কোনটার সাথেই যেন মার্কেট গুলোর দুর্দান্ত গতিতে চলা এয়ারকনডিশনগুলো পেরে উঠছে না। এসব কিছুর ফলাফল গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ। এটা যেমন আপনাকে সবার মাঝে বিব্রত করে তেমনি আপনি হয়ে ওঠেন সবার বিরক্তির কারণ। শুধু মার্কেট কেন অফিস-আদালত, বন্ধুদের আড্ডা সব জায়গায় আপনার উপস্থিতি কারও কাম্য থাকে না। অনেক সময় অনেকে বুঝতে পারেন না নিজের গায়ের উটকো ঘামের দুর্গন্ধ। যারা বুঝতে পারেন আর যারা

মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

মুখের অবাঞ্ছিত লোমের সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেক নারী এবং অনেক পুরুষও। কপালে বা গালে, ঠোঁটের উপরে বাড়তি লোম সৌন্দর্যটাই যেন নষ্ট করে দেয়। সব সাজগোজ, ত্বকের যত্ন সবই বৃথা হয়ে যায় যদি মুখের ত্বকে অবাঞ্ছিত লোম থাকে। আজকাল অনেক ধরনের ট্রিটমেন্ট আছে ত্বক থেকে এই লোম দূর করার জন্য। কিন্তু বেশিরভাগই বেশ কষ্টদায়ক ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। অনেকেই এসব সাত-পাঁচ ভেবে মুখের এই অবাঞ্ছিত লোম (Unwanted hair) নিয়েই থাকেন এবং মনকষ্টে ভোগেন। তাদেরকে বলছি, মন খারাপ

জে’নে নিন জ’মজ সন্তান দে’খতে একই রকম হয় কেন!

আমাদের সমাজে জমজ সন্তান জ’ন্ম নিতে দেখা যায়। কখনো কখনো দুইয়ের অধিকও হয়ে থাকে। তারা দে’খতে ঠিক একই রকম হয়ে থাকে। চিকিৎ’সা বিজ্ঞানে এই জমজ সন্তান জ’ন্মানোর বিষয়ে কিছু তথ্য রয়েছে। আসুন জে’নে নেই জমজ সন্তান জ’ন্মানোর সেই রহ’স্য- জমজ কেন হয়: স্ত্রী দে’হের ডিম্বাণু ও পুরুষের শু’ক্রাণুর মি’লনে তৈরি হয় ভ্রূণ। প্রতি ঋতুচক্রে নারী শ’রীরে একটি ডিম্বাণু উৎপ’ন্ন হয়। কিন্তু কখনো কখনো দুটি ডি’ম্বাণুও উৎপ’ন্ন হতে পারে। প্রায় একই সময়ে উৎপন্ন হওয়া দুটি ডিম্বাণু