কোমল পানীয় খাচ্ছেন, কমছে আপনার আয়ু

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে কোমল পানীয়। সব বয়সের মানুষ কোমল পানীয় খেয়ে থাকেন। তবে এই কোমল পানীয় যত বেশি জনপ্রিয় তা চেয়ে বেশি ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত যারা কোমল পানীয় পান করছেন তাদের ক্রনিক কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। চিনি দিয়ে বা কৃত্রিম মিষ্টি দিয়ে তৈরি কোমল পানীয় আগাম মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে। কারণ এসব খাবারের কারণে হৃদরোগ, কিডনি ডিজিজ, কিডনিতে পাথর, টাইপ-টু ডায়াবেটিস, যকৃতের বিভিন্ন রোগের এবং কয়েক ধরনের

গরমে পানির চাহিদা পূরণে যেসব সবজি বেশি করে খাবেন

এই গরমে শরীরের জন্য বেশি প্রয়োজন পানি। শুধু পানি খেয়ে পানি শূন্যতা পূরণ করা কঠিন। তাই দরকার পরিপূরক খাবার। যাতে শরীরের হয়। এ ক্ষেত্রে সবজিকে বেছে নেওয়া যেতে পারে। সবজি বলতে পানিপূর্ণ সবজি। যেমন মিষ্টিকুমড়া, পটল, ঝিঙা, ঢেঁড়স, ধুন্ধল, শশার মতো সবজি এইসময়ে পানির বাড়তি চাহিদা পূরণ করবে। জেনে নেই এইসব সবজির পুষ্টি গুণ- মিষ্টিকুমড়ায় রয়েছে পটাশিয়াম ও ফাইবার। পাশাপাশি পানি রয়েছে ৭০ শতাংশ। পটাশিয়াম ও ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায়। হজমের যেকোনো সংকটে মিষ্টিকুমড়া হতে পারে

রুটি যেভাবে নরম থাকবে ফ্রিজে

যারা ঘরে-বাইরে ব্যস্ত থাকেন। আর সকালে বা রাতে প্রতিদিন তিন চার জনের জন্য রুটি বানাতে হয়। তারাই জানেন এটা কতো সময়, ধৈর্য আর কষ্টের কাজ। অনেকেই বলেন, বেশি করে বানিয়ে ফ্রিজে রাখলে পরদিনই রুটি শক্ত হয়ে যায়। খাওয়ার উপযোগী থাকে না। তাহলে উপায়? জেনে নিন ফ্রিজে রেখেও কীভাবে পুরো সপ্তাহ খেতে পারেন নরম তুলতুলে-গরম রুটি: * আটা মেখে নেয়ার সময় হালকা তেল দিয়ে মাখুন * এতে আটা নরম হবে এবং সংরক্ষণে সুবিধা হবে * রুটি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আপনি কেন ঢ্যাঁড়স খাবেন

অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগীরাই তাদের শরীর নিয়ে আতঙ্কিত থাকেন। খাবারে বারণ, নিয়মিত ইনসুলিন ইনজেকশন নেওয়া-এমন নানা কারণে তারা সবসময় ভয়ের মধ্যে থাকেন। তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ঢ্যাঁড়সের খাদ্যগুণই সমাধান করতে পারে ডায়াবেটিস। তাই রোগটি নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় ঢ্যাঁড়স রাখুন। এবার জেনে নিন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আপনি কেন ঢ্যাঁড়স খাবেন- অ্যান্টিডায়াবেটিক যুক্ত খাবার এই নামেই বিজ্ঞানী মহলে খ্যাতি পেয়েছে ঢ্যাঁড়স। ২০১১ সালে কিছু বিজ্ঞানী একটি পরীক্ষার জন্য কয়েকটি ইঁদুরের সুগার লেভেল কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেন। রক্তে সুগারের

প্রাকৃতিক ভাবে ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়

ঘরে একটু সবুজের ছোঁয়া থাকলে ঘরটি দেখতে ভালো লাগবে এবং অক্সিজেনের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এতে ঘর ঠান্ডা ও প্রশান্ত হয়ে ওঠবে। তাই আসুন জেনে নেই, এই গ্রীষ্মে কিভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে ঘর শীতল রাখা যায়। ঘরে ও বাইরে সবুজের ছোঁয়া : ঘরের ভিতরের তাপ কমিয়ে আনে গাছ। গাছ শুধু তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে না, ঘরের ভিতরে বাতাস সঞ্চালনেও সহায়তা করে। তাই ঘরের ভিতরে, বারান্দায় অথবা ঘরের বাইরে মূল ফটকে গাছ লাগান। পোড়ামাটির টব ব্যবহার করুন :

ধূমপান ছাড়ার সহজ উপায়

ধূপমান স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর এটা কমবেশি সবারই জানা। গোটা বিশ্বে প্রতিবছর ধূমপানজনিত রোগে মারা যাচ্ছেন হাজারো মানুষ। নিয়মিত ধূমপানের কারণে মুখ, গলা এবং অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। ধূমপানের ক্ষতিকর দিক চিন্তা করে কখনওবা চিকিৎসকের পরামর্শে অনেকে ধূমপান ছাড়তে চান। কিন্তু নেশার কারণে আবারও ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়েন। যারা ধূমপান ছাড়তে চান কিন্তু পারছেন না তারা আয়ুর্বেদিক উপায়ে চেষ্টা করতে পারেন: ১. সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা হলে জোয়ানের সঙ্গে লেবু মিশিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে খেয়ে নিন।

জেনে নিন, ওজন কমানোর সহজ উপায়

ওজন কমাবে মাছ–মাংস–ডিম—-শুনে অবাক লাগারই কথা ৷ কারণ এখনও অনেকেই ভাবেন ওজন কমাতে নিরামিষের বিকল্প নেই ৷ সে ভাবনা একেবারে বেঠিকও বলা যায় না ৷ কিন্তু যদি অল্প তেলে রান্না করা পর্যাপ্ত শাক–সবজি–ডাল, কম মিষ্টি ফল ও অল্প ব্রাউন রাইস বা ব্রাউন ব্রেড খাওয়া হয়, হাই ক্যালোরি খাবার বাদ যায়, ওজন কমবে । তবে তার সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রোটিন না থাকলে তা কতটা স্বাস্থ্যকর হয়, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে ৷ শরীরের অভ্যন্তরীণ কাজ চালাতে প্রোটিনের

চুল পড়া রোধ করার ঘরোয়া উপায়?

চুল পড়া বিভিন্ন কারণের জন্য হতে পারে। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব থাকলে, হরমোনের পরিবর্তনে, শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি। এই সমস্যাগুলির জন্য ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা প্রয়োজন। উপরন্তু, আবহাওয়ার পরিবর্তন চুলের উপর প্রভাব ফেলে। যার জন্য কোন চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। আবহাওয়া পরিবর্তন হলে চুল রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে ওঠে। মাথার স্ক্যাপ্লে খুশকি দেখা যায়। গরমকালে চুল ঘামে ভিজে গিয়ে দুর্বল হয়ে যায় ফলে চুল পড়া শুরু হয়। ঘাম থেকে চুল ওঠার আরও কারন রয়েছে, চলুন

চল্লিশ বছর বয়সের পর সুস্থ থাকতে করণীয়

৪০ বছর বয়সের পর নিজের জীবন বদলে ফেলেছেন এমন কীর্তিমানের খোঁজ সংবাদপত্রেই মেলে। তবে শরীরের কোষকলা কি আর জীবন বোঝে? তাদের চাই সঠিক পরিচর্যা। আসুন, জেনে নিই ৪০ বছর বয়সের পর সুস্থ থাকার জন্য কিছু করণীয়। ৪৫ মিনিট হাঁটুন: ব্যস্ততা কিংবা ব্যস্ততার অজুহাত, সবকিছুকে এক পাশে রেখে এ বয়সে নিয়মিত অন্তত ৪৫ মিনিট হাঁটুন। এতে শরীরের মেটাবলিজম বাড়বে, যা শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার হাত থেকে বাঁচবেন। ডায়াবেটিস বা হার্ট: এ দুটি বিষয়ের দিকে কড়া নজর

খালি পেটে কলা, উপকারি নাকি ক্ষতি?

কলায় উচ্চ মাত্রার চিনি বিদ্যমান রয়েছে যা শরীরে শক্তি জোগাতে কাজ করে। এই ফলে অ্যাসিডিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় শুকনো কিছু খাবারের সঙ্গে কলা মিলিয়ে খাওয়া ভালো। তা না হলে শরীরে উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেশিয়ামের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। এতে হৃদরোগ হওয়ার শঙ্কাও দেখা দেয়। পুষ্টিগুণের কারণেই অনেকে সকালে খালি পেটে কলা খেয়ে থাকেন। তারা মনে করেন, অন্য অনেক খাবারের মতো এটিও শরীরে অনেক পুষ্টি জোগাবে। কিন্তু জানেন কী?‌ খালি পেটে কলা খেয়ে আসলে নিজেরই ক্ষতি করছেন। কয়েকটি