ঈদের দিন বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানালো আবহাওয়া অফিস

দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা দুই দিন ধরে চলছে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে বৃষ্টি নিয়ে তাই চিন্তিত দেশের মানুষ। কোরবানির দিনে বৃষ্টির ফলে তৈরি হতে পারে নানা বাঁধা বিপত্তি। তবে স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এবারে ঈদের দিন রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছে তারা। তারা জানায়, চলতি সপ্তাহে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারী ও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে, ঈদুল আজহার দিন বুধবার বৃষ্টি তেমন

ইয়াসে বইবে ১০০ কি.মি. বেগে ঝড়, প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় অবস্থান করছে। বুধবার (২৬ মে) দুপুর নাগাদ উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমের সময় খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোয় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিসহ ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পূর্ণিমার প্রভাবে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট,

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস : এবারও সুরক্ষা প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে পারে সুন্দরবন

২০১৯ সালের নভেম্বরে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ যখন আঘাত হেনেছিল, তখন বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে দিয়েছিল সুন্দরবন। হতাহত, ক্ষয়ক্ষতি সবকিছু থেকেই রক্ষা করেছিল এই ম্যানগ্রোভ বনটি। অবশ্য এতে সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এখন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ থেকেও বাংলাদেশকে রক্ষা করতে বুক চেতিয়ে দাঁড়াতে পারে এই সুন্দরবন। আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যে পূর্বাভাস আছে, তাতে নিম্নচাপটি যদি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়, তাহলে সেটা বুধবার (২৬ মে) দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যার

বুধবার আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় যশ

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপ এবং পরবর্তী সময়ে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বুধবার উপকূলে আঘাত হানতে পারে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র। বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে

ঘণ্টায় ৬০ কি.মি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

তাপপ্রবাহ কেটে গিয়ে দেশের আট বিভাগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে কিছু কিছু অঞ্চলে শিলাবৃষ্টির শঙ্কার কথাও বলা হয়েছে। এসময় ঢাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম/দক্ষিণ দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিমি, যা অস্থায়ীভাবে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিমিতে উঠে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। বর্তমানে পশ্চিমা

চার জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ, দুদিন বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে রাজশাহী, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে। এ ছাড়া বগুড়া, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, খুলনা, মোংলা, সাতক্ষীরা, যশোর ও রাঙামাটি অঞ্চলসহ ঢাকা এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা থাকবে অপরিবর্তিত। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী দুই দিনে বৃষ্টি বা বজ্রসহ

৪ বিভাগে কালবৈশাখীর আভাস

ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে

আবার বাড়বে তাপমাত্রা

আজ সোমবার (৫ এপ্রিল) তাপমাত্রা কম থাকলেও কাল থেকেই আবার বাড়বে। আগামী দুদিনের মধ্যে আবারও তাপপ্রবাহের দেখা পাওয়া যাবে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দিকে জায়গায় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উত্তর আন্দামান সাগর ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এই লঘুচাপের প্রভাবে , সিলেট, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের দুই

যেসব বিভাগে আজও কালবৈশাখীর শঙ্কা

দেশের চার বিভাগে আজও কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের ১০ অঞ্চলে বয়ে যাওয়া হালকা থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। সোমবার সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে, সীতাকুণ্ড ও রাঙামাটি অঞ্চল সমূহের ওপর

শনিবার কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

চৈত্রের শুরুতেই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ৩৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া দেশের ১৩টি অঞ্চল বাদে সারাদেশের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি ও তার উপরে রয়েছে। চলছে মৌসুমের প্রথম তাপদাহ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) পর্যন্ত সারাদেশে চলতে পারে এই তাপদাহ। আগামী দুইদিন আরো বাড়বে তাপমাত্রা। এরপর তাপমাত্রা কমে বৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস গণমাধ্যমকে জানান, আগামী ২৫ মার্চ পর্যন্ত তাপপ্রবাহ থাকতে পারে। এরপর বিশেষ করে ২৭,