চুলের যত্নে করলা

পুষ্টিকর হওয়ার কারণে ভাতের সাথে ভাজা করলা অনেকেরই খুব পছন্দের খাবার। কিন্তু হয়তো অনেকেরই জানা যেই যে চুলের যত্নেও করলার জুড়ি নেই। খুশকি দূর করা, চুল পড়া(Hair fall) কমানো, চুলকে আরো ঘন কালো করে তোলা এবং চুলের আগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে করলার তুলনা নেই। জেনে নিন চুলের যত্নে করলার ব্যবহারের কিছু পদ্ধতি।

চুলকে ঘন কালো করতে
অনেকেরই চুল পুষ্টির অভাবে কিংবা অযত্নে একটু লালচে হয়ে যায়। চুলকে ঘন কালো করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন করলা।

যা লাগবে-

⇒ ৬ টেবিল চামচ খাটি নারিকেল তেল

⇒ ১ টি ছোট করলা

পদ্ধতি

– প্রথমে চুলার আঁচ ছোট করে নারিকেল তেল হালকা গরম করে নিন।

– এবার করলা ছোট ছোট টুকরা করে নারিকেল তেলে দিয়ে দিন।

– অল্প আচেই করলাটাকে ভেজে গাঢ় বাদামী রঙ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ভাজুন।

– চুলা থেকে নামিয়ে ভাজা করলাগুলোকে চিপে নারিকেল তেল(Coconut oil) বের করে নিন।

– তেলটা হালকা গরম থাকা অবস্থায় মাথার তালুতে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন।

– ৪৫ মিনিট রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

– সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে
অনেকেই করলার তিতা ভাবটা কমানো জন্য করলা চিপে রস ফেলে দেন। চুলের আগা ফেটে যাওয়ার রোধ করার জন্য এই করলার রসটি খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। করলার রস পুরো মাথায় মেখে ৪৫ মিনিট রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। আগা ফাটা রোধ এবং মসৃণ চুলের জন্য সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

চুল পড়া এবং স্ক্যাল্প পিম্পল কমাতে
চুল পড়ে টাক হয়ে যাওয়া এবং স্ক্যাল্প পিম্পলের সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা চুল করলার রস(Karla juice) ব্যবহার করতে পারেন। চুল পড়া এবং স্ক্যাল্প পিম্পল কমাতে করলা ব্যবহারের পদ্ধতি এবং উপকরণ জেনে নিন।

⇒ ১/২ কাপ করলার রস

⇒ ১/২ কাপ টক দই

⇒ ২ টেবিল চামচ লেবুর রস

পদ্ধতি

– করলার রস, টক দই এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

– মাথার তালু থেকে চুলের আগা পর্যন্ত পুরো চুলে লাগিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন।

– ৪৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে মাইল্ড শ্যাম্পু(Shampoo) ব্যবহার করতে পারেন।

– সপ্তাহে দুইবার এই প্যাক ব্যবহার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *